জাতীয়

দেশে ২২ লাখ কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত, বিজিবিকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী টুকুর

  নির্ভীক কন্ঠ: ডিজিটাল রির্পোট ৯ মে ২০২৬ , ৯:৫০:৩৯ প্রিন্ট সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সংগৃহীত ছবি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় ১ কোটি ২ লাখ হলেও প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ পশু। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ পশু অতিরিক্ত রয়েছে এবং বিদেশ থেকে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন হবে না।

শনিবার (৯ মে) বিকেলে নাটোর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি গুরুদাসপুরে আয়োজিত মৎস্যচাষি সম্মেলনে যোগ দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিরা কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে পশু লালন-পালন করে থাকেন। এ অবস্থায় বিদেশ থেকে পশু আমদানি করা হলে স্থানীয় খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়বেন। এ কারণেই সরকার পশু আমদানির কোনো পরিকল্পনা নেয়নি।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত পথে যেন প্রতিবেশী দেশ থেকে অবৈধভাবে কোরবানির পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরে মৎস্যচাষি সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের অন্যতম বৃহৎ বিলাঞ্চল চলনবিল নানা প্রজাতির মাছের জন্য সমৃদ্ধ। নাটোর অঞ্চলে ব্যাপক হারে মাছ চাষ হওয়ায় এখানে সম্ভাবনাময় বাজারও গড়ে উঠেছে।

তিনি জানান, সংরক্ষণের অভাবে যাতে মাছ নষ্ট না হয়, সে জন্য সরকার সেখানে ‘ফিশ প্রসেসিং সেন্টার’ ও ‘মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র’ স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চলনবিলের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

আরও খবর

Sponsered content