জাতীয়

নিরাপত্তার নামে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে আলাদা করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

  নির্ভীক কন্ঠ: ডিজিটাল রিপোর্ট ৬ জুলাই ২০২৬ , ১:৪৫:৪৭ প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববারের দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে পরিকল্পিত হওয়া উচিত, যাতে সরকারপ্রধান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো ধরনের দূরত্ব সৃষ্টি না হয়—এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি, জনগণ যাতে নিজেদেরকে সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার উপরে আমার আস্থা এবং নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানাই।’

রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে পিজিআর সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শাহাদাতবরণকারী পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতির সাহস, আত্মবিশ্বাস ও গৌরবের প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ দেশের মানুষের সঙ্গে তাদের অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রেখেছে। পিজিআরের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং। যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’

ভবিষ্যতের বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সাইবার যুদ্ধসহ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক এবং প্রশিক্ষিত হওয়া জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সাহস, সততা ও বিশ্বস্ততা অপরিহার্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে, তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কখনো হুমকির মুখে পড়বে না।’

আরও খবর

Sponsered content