রাজনীতি

জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থেকে ঈদ উদযাপন করলেন জামায়াত নেতারা

  নির্ভীক কন্ঠ: ডিজিটাল রিপোর্ট ২৯ মে ২০২৬ , ৬:৪৮:৫২ প্রিন্ট সংস্করণ

ছবি: সংগ্রহীত

ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের পরিবারের প্রতি সম্মান ও সংহতি প্রকাশ করতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তাদের বাসায় গিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা শহীদ পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি। তার সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। এছাড়া কর্মসূচিতে অংশ নেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং ড. আব্দুল মান্নান। আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম এবং মহানগরী সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমনসহ অন্যান্য নেতারা।

নেতৃবৃন্দ দিনের শুরুতে রাজধানীর পল্টন এলাকায় যান। সেখানে তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ কামাল মিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে দুপুরে তারা ঢাকা-৫ আসনের যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছান। সেখানে শহীদ আসলাম, শহীদ আরিফ, শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন, শহীদ জিহাদ ও শহীদ জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের সান্ত্বনা দেন।

এরপর নেতারা কুতুবখালী এলাকায় গিয়ে শহীদ নাঈম হাওলাদার, শহীদ শাকিল ও শহীদ নাছির উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সর্বশেষ মোকাররম মসজিদ ও শেখদী এলাকায় গিয়ে শহীদ নুর হোসেন, শহীদ জিহাদ হোসেন, শহীদ আহমদ আবদুল্লাহ, শহীদ জাহাঙ্গীর খাঁ, শহীদ রবিন মিয়া এবং শহীদ আব্দুল হান্নানের বাসভবনে যান তারা।

সাক্ষাৎকালে নেতারা প্রতিটি পরিবারের বর্তমান অবস্থা, প্রয়োজন ও নানা সমস্যার বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের হাতে ঈদ উপহার ও বিশেষ আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

আরও খবর

Sponsered content