দুর্নীতি

টিএন্ডটি লাইনম্যান,শামীমের বিরুদ্ধে, বাসাইলে দায়িত্বরত সরকারী টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

  প্রতিনিধি ৫ মে ২০২৬ , ১:৪৫:৫৬ প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারী টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ টিএন্ডটি লাইনম্যান: শামীম

সরকারি অফিসকে ব্যক্তিগত বাসা হিসেবে ব্যবহার এবং নিজ নামে বরাদ্দকৃত টিএন্ডটি অফিসের ফ্ল্যাটের ভাড়া আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের বাসাইলে কর্মরত বিটিসিএল লাইনম্যান শামীমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রতি মাসে ৬,৯৮০ টাকা হারে মোট ১৪,২৩,৯২০ টাকা ভাড়া আত্মসাৎ করেছেন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বাসাইলে তার কর্মস্থলে গেলে তিনি নিজেই বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, “ডিজিএম স্যার আমাকে এখানে থাকার অনুমতি দিয়েছেন।”
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শামীমের বাড়ি বগুড়া জেলায়। তিনি ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে বাসাইলে টিএন্ডটি অফিসে লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে তিনি বিনা অনুমতিতে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করা, অফিস সংলগ্ন বরাদ্দকৃত জমিতে শাকসবজি চাষ এবং একই জমিতে মাছ চাষ করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এ ঘটনায় ‘ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর টাঙ্গাইল জেলা শাখার চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তদন্তের দাবিতে টিএন্ডটি (বিটিসিএল)-এর ডিজিএম মাহাবুব হাসানের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব, জেলা প্রশাসক, বিটিসিএল-এর মহাপরিচালক এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত টিএন্ডটি (বিটিসিএল)-এর ডিজিএম মাহাবুব হাসান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবে, যা পরবর্তীতে ঢাকায় পাঠানো হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।” তিনি আরও জানান, অফিসকে বাসা হিসেবে ব্যবহার করার কোনো অনুমতি না থাকায় শামীমকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অসুস্থতার কারণে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
তারিখ: ০৪/০৫/২০২৬

আরও খবর

Sponsered content