জাতীয়

দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রধান অবলম্বন শ্রমজীবী মানুষই : প্রধানমন্ত্রী

  প্রতিনিধি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ , ৭:২৬:৩২ প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি সংগ্রহীত

যেকোনো দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষ—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশ ও প্রবাসে কর্মরত শ্রমিকদের অবদানকে দেশের অগ্রগতির ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মরত সব শ্রমিককে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষই একটি দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং অগ্রযাত্রার প্রধান ভিত্তি। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে ওঠে শিল্প, কৃষি, অবকাঠামোসহ একটি শক্তিশালী অর্থনীতি। এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত’। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।”

১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেটের শ্রমিক আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তিনি শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শ্রমনীতি ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তার সময়েই শ্রমিক কল্যাণে নানা সংস্কারের সূচনা হয় এবং বিদেশে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের ভিত্তি তৈরি হয়, যা বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, শ্রম আইন সংস্কার, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন এবং তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিভিন্ন কনভেনশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিয়মিত মজুরি পর্যালোচনা, নারী-পুরুষ সমমজুরি নিশ্চিতকরণ এবং সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধের বিষয়েও সরকার কাজ করছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা গেলে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আরও খবর

Sponsered content