প্রতিনিধি ৫ মে ২০২৬ , ৮:৪৮:৩৭ প্রিন্ট সংস্করণ
বিরোধী দল হিসেবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সব ধরনের আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) জাপানের নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জাপানের সিবুকাওয়া ওয়েলফেয়ার সেন্টারে বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে, ইসলামিক মিশন জাপান—নাগোয়া শাখার তত্ত্বাবধানে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ গণভোটের রায় অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে। বিশ্বে এমন কোনো নজির নেই যেখানে গণভোট ব্যর্থ হয়েছে; সুতরাং বাংলাদেশেও এর ব্যর্থতার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন। এখন এই রায় উপেক্ষা করা মানে দেশের প্রতিটি নাগরিককে অবমাননা করা। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল হিসেবে সংসদের ভেতরে ও বাইরে থেকে গণভোটের ফল বাস্তবায়নে সর্বাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে। এ সময় ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে পুরো অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের বাইরে অবস্থান করেও আপনারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রবাসীরা রেমিট্যান্স বন্ধসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারকে অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আবার ৫ আগস্টের পর দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে আপনারা নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এজন্য তিনি প্রবাসীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রবাসীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারাবন্দী ৩৯ জন প্রবাসীর মুক্তির বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাপানের উন্নয়ন মডেলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জাপানের আদলে একটি নৈতিক, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। দেশে চাঁদাবাজি ও বাজার সিন্ডিকেটের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, শুধু জাপান নয়—বিশ্বের সকল বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে তিনি তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। একই সঙ্গে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, একদিন বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—যেখানে থাকবে না গুম বা খুনের ঘটনা, থাকবে না দারিদ্র্য ও দুর্নীতি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি তরুণ সমাজকে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও বাজার সিন্ডিকেটের কারণে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতির এই ভোগান্তি লাঘবে সরকারকে সব ধরনের চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি সকল চাঁদাবাজের শেকড় উপড়ে ফেলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটক থাকা ৩৯ জন প্রবাসীর মুক্তির বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জাপানের উন্নয়ন মডেলের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি জানান, জাপানের আদলে একটি নৈতিক, শিক্ষিত ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে তিনি কাজ করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে দেশে চাঁদাবাজি ও বাজার সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, শুধু জাপান নয়—বিশ্বের সব বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশকে এগিয়ে নিতে তিনি তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, একদিন বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—যেখানে গুম বা খুনের কোনো ঘটনা থাকবে না, থাকবে না দারিদ্র্য কিংবা দুর্নীতি। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি তরুণ সমাজকে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও বাজার সিন্ডিকেটের কারণে পণ্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতির এই দুর্ভোগ লাঘবে সরকারকে সব ধরনের চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সকল চাঁদাবাজের শেকড় উপড়ে ফেলার দৃঢ় অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।

















