সারাদেশ

খুলনায় গুলিবিদ্ধ এক যুবককে ঢাকায় নেওয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্সে, আবারও গুলিবর্ষণ

  প্রতিনিধি ৫ মে ২০২৬ , ৯:৩০:৫৪ প্রিন্ট সংস্করণ

গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে ফের গুলিবর্ষণ। ছবি: এআই দ্বারা প্রস্তুত

খুলনা নগরে রাজু হাওলাদার (৩৮) নামের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার সময় অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত রাজু হাওলাদার লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার নগরীর লবণচরা থানার কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় রাজু পেটে গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি কীভাবে এবং কখন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাজুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, রাজুর ওপর গুলির ঘটনা কোথায় ও কখন ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। রাতে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাওয়া যায় এবং তার পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। তার বিরুদ্ধে থানায় চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পেছনের কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। অ্যাম্বুলেন্সে গুলির বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি, তবে বিভিন্ন সূত্রে বিষয়টি শুনেছেন বলে উল্লেখ করেন।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, লবণচরা থানার এক আসামিকে চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে। পরে তারা পুলিশের কাছে বিষয়টি জানিয়ে নিরাপত্তা চান। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজ নিজ থানা এলাকা অতিক্রমে সহায়তা করে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রাতের বেলায় তারা শুধু নিরাপত্তা সহায়তা চেয়েছিল, পুলিশ সেই সহায়তাই দিয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হলে লবণচরা ও রূপসা থানা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

আরও খবর

Sponsered content