নির্ভীক কন্ঠ: ডিজিটাল রির্পোট ১২ মে ২০২৬ , ৩:৪৬:৫৯ প্রিন্ট সংস্করণ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই রাজধানীর সড়কে পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় মামলা ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে। তখন ট্রাফিক সার্জেন্ট বা পরিদর্শকদের মাধ্যমে ম্যানুয়াল মামলা করার প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে। রাজধানীর যেকোনো স্থানে ট্রাফিক আইন কিংবা মোটরযান আইন লঙ্ঘন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার দুপুরে বিমানবন্দর ক্রসিংয়ে সৌরশক্তিচালিত ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, গত কয়েক মাসে সিটি করপোরেশন জাহাঙ্গীর গেট থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত সাতটি ক্রসিংয়ে নতুন সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে। এছাড়া গুলশান-১ এলাকায় আগে থেকেই সিগন্যাল লাইট ছিল এবং গুলশান-২ নম্বর এলাকাতেও নতুন করে সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি জানান, হাইকোর্ট ক্রসিং থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং পর্যন্ত আরও ছয়টি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট বসিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, যা কয়েক দিনের মধ্যেই চালু করা হবে। পাশাপাশি ডিএমপি নিজ উদ্যোগে আরও ১৫টি স্থানে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট স্থাপন করেছে।
মো. সরওয়ার আরও বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকার ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে যানবাহনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল বা স্বয়ংক্রিয় মামলা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সফটওয়্যারটি আইন ভঙ্গকারী যানবাহন শনাক্ত করে কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ তৈরি করছে। এরপর বিআরটিএর ডাটাবেজের সঙ্গে সংযুক্তির মাধ্যমে গাড়ির মালিকের ঠিকানা সংগ্রহ করে প্রসিকিউশন চিঠি পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইল অ্যাপ কিংবা এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য সরাসরি গাড়ির মালিকদের কাছে পাঠানো হবে। এরপর তারা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধ করতে পারবেন।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন সিগন্যাল পয়েন্টের খুঁটিতে ধাপে ধাপে ‘এআই বেজড সিসি ক্যামেরা’ স্থাপন করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত এক সপ্তাহে ইতোমধ্যে তিন শতাধিক মামলা করা হয়েছে।

















