নির্ভীক কন্ঠ: ডিজিটাল ডেস্ক ১০ জুলাই ২০২৬ , ৩:৫৩:৫৮ প্রিন্ট সংস্করণ
সীমান্ত কখনো কাঁটাতারের বেড়ায় বিভক্ত, কখনো রাষ্ট্রের মানচিত্রে। কিন্তু একটি নবজাতকের কাছে এসব বিভাজনের কোনো অর্থ নেই। তার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো মায়ের স্নেহময় কোলে আশ্রয় আর বাবার ভালোবাসার স্পর্শ।

প্রায় এক বছর আগে জোরপূর্বক একটি পরিবারকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনা অনেকের কাছেই বলিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর মানবিক গল্পের কথা মনে করিয়ে দেয়। তবে বাস্তবতার সঙ্গে সিনেমার একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। চলচ্চিত্রে হারিয়ে যাওয়া এক শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে একজন মানুষ জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করেছিলেন। আর বাস্তবে নিজের দেশ ও পরিবারের কাছে ফিরতে একটি পরিবারকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় এক বছর।
অবশেষে আদালতের নির্দেশনা, প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। সন্তান ফিরে পেয়েছে বাবার স্নেহময় উপস্থিতি, স্ত্রী ফিরে পেয়েছেন কাঁটাতারের বেড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া স্বামীকে, আর জন্মের সাত মাস পর প্রথমবারের মতো বাবার স্পর্শ পেয়েছে নবজাতক সন্তান।
গত বুধবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে মো. দানেশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাদের দুই সন্তান কুরবান শেখ ও ইমাম হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কাছে হস্তান্তর করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

















